লোড হচ্ছে
অপেক্ষা করুন

হিজামা কি ও কিভাবে করা হয়?

হিজামা শব্দটি আরবি হাজামা বা হাজ্জামা ক্রিয়া থেকে এসেছে যার অর্থ হচ্ছে কমিয়ে ফেলা, আসল আকারে ফিরিয়ে নেয়া, বা আকারে ছোট করে ফেলা ইত্যাদি।
আরবিতে তারা বলে যে এক লোক সমস্যাটা ছোট করে ফেলেছে- এর অর্থ হচ্ছে “সে সমস্যাটা আগে অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে গেছে।”
আরও একটা ভার্ব বা ক্রিয়া আছে “আহজামা” যার মানে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছিয়ে আসা বা অস্ত্র সংবরণ করা।
তার মানে, যে হিজামা করে (অর্থাৎ হাজ্জাম) সে রোগকে বাধা দেয় বা সংবরণ করে রোগীকে আক্রান্ত করা থেকে।
আমাদের শরীরে প্রতিনিয়ত মেটাবলিক বাই-প্রোডাক্ট তৈরি হচ্ছে। রোগ-জীবাণুর আক্রমণে বা ব্যাবহার এর কারণে বিভিন্ন রক্তকণিকা ও টিস্যুর ক্ষতিসাধন হচ্ছে। মানুষের বয়স যত বাড়তে থাকে মানুষের শরীরের বিভিন্ন স্থানে মাসল ও টিস্যুর মধ্যে এই মেটাবলিক বাই প্রোডাক্ট ট্র্যাপ হচ্ছে। এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে আমরা যদি জোরে হাটতে বা দৌড়াতে থাকি তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের পায়ে ব্যাথা শুরু হয়ে যায়। এর কারন হচ্ছে মেটাবলিক বাইপ্রোডাক্ট আমাদের মাসলে জমা হয়ে নার্ভ এন্ডিং গুলোর পেইন রিসেপ্টরে স্টিমুলেশান দেয়। আবার কিছুক্ষণ রেস্ট নিলে এই পেইন কমে যায়, কারন বাই প্রোডাক্টগুলোকে ব্লাড ফ্লো করে ডাইলিউট করে দেয় এবং কিডনি বা লিভার বা
ঘর্মগ্রন্থি তাদের নিজস্ব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগুলোকে পুনরায় ব্যাবহার্য্য করে অথবা সেটা সম্ভব না হলে শরীর থেকে বের করে দেয়।
আমাদের শরীরে ছোট ছোট রক্তনালী (ক্যাপিলারি ও ভেনিউলস) ও নার্ভ (নিউরন) জালিকার মত বিছিয়ে রয়েছে। বিভিন্ন জীবাণুর আক্রমণে বা বিভিন্ন শরীরবৃত্ত্বীয় প্রকৃয়ায় আমাদের রক্তকণিকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এগুলো অনেক ক্ষেত্রেই এইসব ছোট ছোট রক্তনালীতে ট্র্যাপ হয়ে পড়ে এবং রক্ত প্রবাহে বাঁধার সৃষ্টি করে।