লোড হচ্ছে
অপেক্ষা করুন

আমাদের ব্লগ

Natural Treatment for Coronavirus

admin
March 30, 2020
Uncategorized

“করোনা ভাইরাস” মূলকথা


মেডিকেল দুনিয়া জুড়ে ২ ধরনের ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞ হয়ে থাকে


১) যে সমস্ত ডাক্তারগন শুধুমাত্র ঔষুধ দ্বারা রোগীকে চিকিৎসা করেন। আর তারা রোগী কে পন্য এবং রোগ কে অর্থ আয়ের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে গ্রহন করেন। এ সমস্ত ডাক্তারদের কে আমরা বামপন্থী ডাক্তার হিসেবে ধরে নিলাম।


2) যে সমস্ত ডাক্তারগন সুন্দর পরামর্শ, নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস, প্রাকৃতির কাছাকাছি অবস্থানকরন ও প্রয়োজন অনুপাতে ঔষুধ ব্যবহার করে রোগীকে সুস্থ করে তুলতে চেষ্টা করেন। এ সমস্ত ডাক্তারগন ও টাকা আয় করেন। তবে তারা কামনা করেন একটি সুস্থ পৃথিবীর। তাদের কাছে অর্থ থেকে রোগীর ঠোঁটের কোনের এক চিলতে খুশীময় হাসির দাম অনেক বেশি।আমরা তাদের কে ডানপন্থী ডাক্তার হিসেবে অভিহিত করলাম।


অতঃপর আমি করোনা বা এমন লাখো-কোটি ভাইরাস যা আমাদের শরীরে আগমন করে, এ ভাইরাসের আগমনের কারন, প্রতিকার ও মুক্তি সম্পর্কে ডানপন্থী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের দিক- নির্দেশনা তুলে ধরলাম। বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলেছেন একজন সুস্থ মানুষের বছরে একবার এবং শিশু দের ছয়বার ফ্লু ফিভার বা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়া স্বাভাবিক। বরং এই ভাইরাসগুলো একজন বাচ্চার immunity বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে strong করে। তাকে আল্লাহ তায়ালার আদেশে সুস্থভাবে বাঁচতে সহায়তা করে।


এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলেন করোনা সেই সব ভাইরাস এর একটি। করোনা কোন নতুন ভাইরাস নয়। CDC এটা কে common Human disease হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।এবং এই সমস্ত ধরনের ভাইরাসে মৃত্যুর হার ০.২% বলে তারা বর্ননা করেছেন।


এখন অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, যে তবে দুনিয়াজুড়ে এত মানুষ মারা যাচ্ছে কেন? তাদেরকে বলতে চাই, এমন মানুষ খুব ই কম পাওয়া যাবে যারা মারা যাচ্ছে তাদের অন্য কোন রোগ ছিল না! শুধু করোনা রোগে মারা গেছে এমন রোগী কতজন দেখাতে পারবেন? আপনি বলুন তো বাংলাদেশে যারা এই রোগে মারা গেছে বলা হচ্ছে, তাদের কেউ কি কম বয়স্ক বা অন্য কোন রোগ ছিল না এমন আছেন?

এছাড়া এটা কি জানেন যে, বিশ্বময় যারা মারা যাচ্ছে তাদের ৫০% এর বয়স ৮০ বৎসর এর উপরে। আর বাকিদের বয়স ৫০ থেকে ৮০ বৎসর এর মাঝখানে।আর ১০ – ৫০ বৎসর বয়সের মৃত্যুর হার ০.২%।

এবং যারা মারা গেছে তাদের অধিকাংশ লোক cardiovascular disease , diabetic, hypertension, cronic respiratory disease, cancer সহ আরো অনেক রোগে পীড়িত ছিলেন।আরো জানতে দেখুন:
https://www.worldometers.info/coronavirus/coronavirus-age-sex-demographics/

এ ছাড়া আরো একটা বিষয় জানা থাকা দরকার যে,প্রতিবছর influenza like illness (যেটা এক ধরনের ভাইরাস,যার লক্ষন কথিত করোনার মত ই) এ ইতালিতে ২০০০০- ২৫০০০ লোক মারা যায়।এমনি আমেরিকা তে এই রোগে ৬০০০০-৭০০০০ হাজার লোক মারা যায়। এখন বলুন ত করোনা বা ইনফ্লুয়েঞ্জা তে কি পুর্ববৎসর এর পরিমান লোক এ দেশগুলোতে এখনো মারা গেছে?

নীচে দেখুন করোনা ভাইরাসে এ বছর বয়স হিসেবে মৃত্যুর হারঃ


তাই ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রপ্রধান করোনা কে মিডিয়ার কারসাজি বলে অভিহিত করেছেন।আসলে পুরাতন রোগ কে নতুনভাবে উপস্থাপন করে বিশ্বাবাসী কে ভীতসন্ত্রস্ত করা এবং কারো উদ্দেশ্য সাধনের জন্য মিসগাইড করে বিশ্বময় লকডাউন করা এ ভাইরাসের মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করাটাই সমীচীন।

“করোনা ভাইরাস” করনীয়

প্রত্যেক বৎসর সিজনাল ভাইরাস বা ফ্লু আসবে এটাই নিয়ম। যাদের ইমিউনিটি শক্তিশালী তারা ইনশাআল্লাহ অল্প সময়েই সুস্থতা লাভ করবে। যদিও এটাকে পুজি করে মেডিসিন কোম্পানি ও বিশ্বশক্তি গুলো নতুন নতুন ভয়ের সৃষ্টি করবে। কেননা যত ভয় তত ব্যবসা। নতুন নতুন ভাইরাস এর নাম দিয়ে নতুন ভ্যাকসিন মার্কেট জাত করে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যাবসা করবে। অথচ ভাইরাস এর কোন মেডিসিন হয় না।একমাত্র মেডিসিন হল strong immune system। ভ্যাক্সিন শুধুমাত্র আমাদের জ্বর কমাতে পারে।ভাইরাস দুর করতে পারে না। আর ভ্যাক্সিন আপনাকে নতুন নতুন রোগ আমদানি করে সারাজীবনের জন্য বিকলাঙ্গ করে দিতে পারে।আরো জানতে দেখুনঃ
https://youtu.be/Y12-8J6fiC4

আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রত্যেক এর শরীরে যে কোন ভাইরাস প্রটেক্ট করার ক্ষমতা দিয়েই সৃস্টি করেছেন। কিন্তু আমরা প্রাকৃতি কে ধ্বংস করে, Commercial packet জাত করা খাবার খেয়ে,অন্ধকার ঘরে আবদ্ধ থেকে, সুর্যের আলো থেকে নিজেকে দূরে রেখে, stress কে সংগী করে, animal protein বেশি খেয়ে, heathy food না খেয়ে মূলত আমরাই আমাদের মালিক আল্লাহ তায়ালার দেওয়া প্রটেকশান ক্ষমতা কে নষ্ট করে ফেলছি। আর সাথে সাথে নিজের নাফস ও দূর্বলের প্রতি জুলুম করে মহান মালিক আল্লাহ তায়ালাকেও আমাদের প্রতি রাগান্বিত করে নিয়েছি।

এ অবস্থায় আমরা ৩ ধাপে শুধু ভাইরাস না বরং সমস্ত ক্রনিক রোগ থেকে মুক্ত হয়ে একটি সুখী,সুন্দর,সমৃদ্ধ জীবন ফিরে পেতে পারি। সমস্ত ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে দরকার strong immune system. ধরুন ৪ ব্যক্তি বৃস্টিতে ভিজল। কিন্তু দেখবেন ১-২ জন এর জ্বর – সর্দি শুরু হল।আসলে এই ১_২ জন এর ইমিউনিটি দুর্বল।

সমস্ত ভাইরাস ও ক্রনিক রোগ থেকে মুক্ত থাকতে করণীয়

প্রথম ধাপঃ

  1. Sun bathing- সুর্যের আলো হল natural disinfection, যেটা ভাইরাস গুলোকে মারতে সাহায্য করে। আমরা ছোট বেলায় দেখতাম “মায়েরা” যখন চালে পোকা লাগত তখন সেটা রোদে দিত এবং সমস্ত পোকা বের হয়ে যেত। এমনি সুর্রযের আলো আমাদের শরীরের ভাইরাস বা ময়লা পরিস্কার করে এক নতুন ফ্রেস শরীর দান করে। আর আলোই এই দুনিয়ার সমস্ত জীব কে বড় হতে, আল্লাহর হুকুমে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। অথচ আমরা নিজেকে অন্ধকার ঘরে আবদ্ধ করে নিয়েছি। কেমন যেন সমস্ত রোগ কে দাওয়াত দিয়ে এনেছি।

    সুর্যের আলো লাগানোর নিয়ম- সকালের সূর্যালোক উত্তম, প্রত্যহ সকাল বা বিকালে পাতলা সুতীর কাপড় পরে খোলা হাওয়া আছে এমন কোন স্থানে ২০-৩০ মিনিট সুর্যের আলো শরীরে লাগানো। মনে রাখবেন sunlight is the best natural sanitizer.
  2. রোযা রাখা- আচ্ছা বলুন ত এক জায়গায় ২ টা ডাস্টবিন রাখা আছে। একটা তে ময়লা ভরা। আর একটা খালি। বলুন ত মাছি কোন ডাস্টবিনে প্রবেশ করবে? অবশ্যই ভরা ডাস্টবিনে মাছি প্রবেশ করবে। এমনিভাবে যে পেট যত বেশি খালি থাকে সে শরীরে ভাইরাস তত কম প্রবেশ করবে। কেননা রোযা অবস্থায় digestion এর কাজ না থাকায় শরীর detoxification করতে লেগে যায়। পুরনো টিসু গুলো পরিস্কার করে তোলে। তখন আমাদের immune system boost up হয়। তখন আমরা ফিরে পাই শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধকারী একটি সুস্থ শরীর। মুসলিমদের জন্য সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা রাখা সুন্নাত। ইচ্ছা করলে এই ২ টা অথবা যে কোন ১ দিন ত রোযা রাখতেই পারি। দেখবেন ডায়েবেটিস সহ অন্যান্য ক্রনিক রোগ হারিয়ে গেছে ইন শা আল্লাহ।
  3. Healthy food গ্রহন- white sugar, factory made food, commercial packet milk একদম পরিত্যাগ করা। animal protein একদাম সামান্য গ্রহন করা। সকাল বেলা একটা ডাবের পানি/ চাল কুমড়ার জুস/ যে কোন সবজীর জুস পান করা। যা আপনার শরীরকে Detox করতে সাহায্য করবে। এবং এটা সারাদিন শরীরকে ফ্রেস রাখতে সাহায্য করবে।

    দিনের যে কোন মিল ফল দ্বারা করবে।বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা সকাল বেলার মিল টা ফল দ্বারা সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছেন।দুপুরে ভাত রুটি খেলেও সমপরিমান সবজি ও সমপরিমান সালাদ থাকতে হবে। রাতে green vegetable খাবে। এবং রাত ৯ টা এর মাঝে খাবার সম্পন্ন করবে। ১১ টা এর মাঝে ঘুমিয়ে পড়বেন।
  4. সারাদিনে ০.২ gm ভিটামিন সি গ্রহন করবেন। লেবু,আমলকি, পেপে, আংগুর, আনারস সহ সব সিজনাল ফলেই ভিটামিন সি থাকে। ডানপন্থী বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলেন যারা প্রত্যহ ০.২ gram ভিটামিন-সি গ্রহন করবে তাকে যে কোন ভাইরাস আক্রমণ করারা সম্ভাবনা মাত্র ১০%। এ ভাবে চললে আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল কে সব ধরেনের ক্রনিক রোগ ও ভাইরাস থেকে নিরাপদ রাখবেন।

“করোনা ভাইরাস” মুক্তির উপায়

আল্লাহ তায়ালা মানুষদের কে ভালবেসে করে সৃষ্টি করেছেন। এবং মানুষকে নিরাপদ থাকার সমস্ত উপকরন তাকে দান করেছেন। তাই এর সঠিক ব্যবহার ই আমাদেরকে নিরাপদ জীবন উপহার দিতে পারে। আর আল্লাহ তায়ালা আমাদের উপকারের জন্য ই সমস্ত দুনিয়ার মাখলুক কে সৃষ্টি করেছেন। তাই আমাদের উচিৎ হল অসুস্থ অবস্থায় আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা আর সুন্নাহ হিসেবে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী যথাসাধ্য প্রাকৃতিক উপাদানের মাধ্যমে সেবা গ্রহন করা। আজ আমরা করোনা সহ যে কোন ভাইরাস হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী করণীয় সম্পর্কে আলোকপাত করব।

আসলে ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেংগু, চিকুনগুনিয়া ম্যালেরিয়া এর মত করোনাও একটি সাধারন ভাইরাস। এর মৃত্যুর হার ১-২%। যদি অন্য কোন রোগ না থাকে তবে। এবং এ সব ভাইরাসের একটাই চিকিৎসা। তাহা নিম্নে আলোকপাত করা হল।

যদি কেউ করোনা সহ যে কোন ভাইরাসে আক্রান্ত হনতাদের করণীয়

  • যদি আপনার শরীর কোন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয় তবে আপনার শরিরে নিশ্চিত জ্বর আসবে। এই জ্বর হল ভাইরাস শরীর থেকে বের করার জন্য আপনার ইমিউনিটি কতৃক নেওয়া এ্যাকশন। আর এই জ্বর ই আপনার ভাইরাস কে বের করতে সাহায্য করে। অভিজ্ঞ ডাক্তাররা বলেন এ সময় প্যারাসিটামল খাওয়া মানে হল আসলে ভাইরাস কে শরীরে দীর্ঘ সময় থাকতে সাহায্য করা। তাই তখন উচিৎ হল একটু সবর করা। সব সময় ওজু অবস্থায় থাকার চেষ্টা করা। ভিজা কাপড় দিয়ে বার বার স্পঞ্জ করা। ওজু অবস্থায় থাকার কারনে আল্লাহর করুনা ও সাকিনা বর্ষিত হবে আর শরীর মুছে দেওয়ার কারনে রোগীও একটু শান্তি অনুভব করবে। জ্বরের সময় পানি ব্যবহার করা সুন্নাহ। পানি ব্যবহার করে অতিরিক্ত উত্তাপকে কন্ট্রোল করা হচ্ছে, কিন্তু ভিতরের উত্তাপ ঠিক ই থাকবে। যা অতিসত্বর ভাইরাস কে শরীর থেকে বাহিরে ছুড়ে ফেলবে।ইন শা আল্লাহ। ওজুর উপকারিতা সম্পর্কে আরো জানুন
    http://www.ihadis.com/books/mishkatul-masabih/chapter/3
    আরো জানতে পড়ুন
    https://www.hadithbd.com/print.php?hid=55882
  • জ্বর শুরু হলেই 3 step diet এর জন্য প্রস্তুত হতে হবে।

    প্রথম দিন সকাল থেকেই রাত পর্যন্ত
    ব্যক্তির ওজন ÷ ১০
    অর্থাৎ ধরুন আপনার ওজন ৬০ কেজি তবে ৬০ ÷ ১০ = ৬।
    তার মানে আপনাকে ৬ গ্লাস ( প্রত্যেক গ্লাস ৪০০ মি লি) ডাবের পানি ও ৬ গ্লাস citrus juice পান করতে হবে।
    প্রথম ঘন্টা ডাবের পানি পরের ঘন্টা citrus juice পান করবে। ১২ ঘন্টায় ১২ গ্লাস। citrus juice মাল্টা, কমলা লেবু, আংগুর, বেদানা, আপেল, পেয়ারা সহ যে কোন সিজনাল ফল দ্বারা ব্লেন্ড করে বানালেই হবে।কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যে এ জুস গূলো ছাকনি নিয়ে ছাকা যাবে না। জাস্ট ব্লেন্ড করবে এবং পান করবে। তাতে করে fiber ও শরীরে প্রবেশ করবে। ফলগুলো vitamin-c সমৃদ্ধ হলে বেশি ভাল হয়। আর ১ দিন সারাদিন এই ডাবের পানি ও জুস ছাড়া অন্য কিছুই খাবে না।আমেরিকার ফিজিশিয়ানরাও করোনার চিকিৎসার জন্য এখন Vitamin-C ব্যবহার করছে। আরো জানতে newsweek magazine। এর রিপোর্ট দেখুনঃ
    https://www.newsweek.com/new-york-hospitals-vitamin-c-coronavirus-patients-1494407

    ২য় দিন
    আপনার শরীরে ওজন ÷২০ . অর্থাৎ৬০ কেজি ওজনের মানুষের জন্য ৬০÷২০=৩।
    তার মানে আপনাকে সকাল ও দুপুর মিলিয়ে ৩ গ্লাস ডাবের পানি ও ৩ গ্লাস citrus juice পুর্বের দিনের নিয়মে পান করতে হবে।
    এবং রাতে আপনার শরীরের ওজন × ৫. অর্থাৎ ৬০× ৫= ৩০০ গ্রাম শশা ও টমেটো খাবার হিসেবে গ্রহন করতে হবে।

    দেখবেন দিনশেষে আপনার জ্বর শরীর থেকে বিদায় নিতে শুরু করেছে।

    ৩য় দিন
    আপনার শরীরে ওজন ÷৩০ অর্থাৎ৬০ কেজি ওজনের মানুষের জন্য ৬০÷৩০=২। তার মানে আপনাকে সকাল থেকে দুপুর নাগাদ ২ গ্লাস ডাবের পানি ও ২ গ্লাস citrus juice পুর্বের দিনের নিয়মে পান করতে হবে। এবং দুপুরে আপনার শরীরের ওজন× ৫ অর্থাৎ ৬০× ৫ =৩০০ গ্রাম শশা ও টমেটো খাবার হিসেবে গ্রহন করতে হবে।

    রাতে স্বাভাবিক ঘরের রান্না করা খাবার গ্রহন করতে পারবেন। লবন ও তেল কম ব্যাবহার করতে হবে। আর animal protein /animal food একদম ব্যবহার করা যাবে না।

    ৪ র্থ দিন
    আপনি একদম ফ্রেস, সুস্থ অনুভব করবেন। এবং ভাইরাস মুক্ত নতুন মানুষে পরিণত হবেন। ইন শা আল্লাহ আপনি এ থিওরির রেজাল্ট দেখে আশ্চর্য হয়ে যাবেন। আর এটা যে কোন ভাইরাসের ক্ষেত্রে সমানভাবে কার্যকরী।

    এ দিন স্বাভাবিক খাবার গ্রহন করবেন। সাথে সকাল ও বিকালে হালকা গরম পানিতে এক চামচ মধু ও কয়েক ফোটা কালোজিরার তেল দিয়ে পান করবে।কালোজিরা ও মধু আপনাকে শরীরে নব শক্তি যোগাতে সাহায্য করবে। আমেরিকান সরকার করোনার জন্য যে ২ টি ঔষুধ ব্যবহার করছে তার একটি হল Hydroxycholoroquine. বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলছেন এটা আসলে কালোজিরার নির্যাস থেকে তৈরী। এ সম্পর্কে আরো জানতে ভিজিট করুনঃ
    https://www.newsweek.com/hydroxychloroquine-coronavirus-conventional-care-study-1494176
    আমাদের প্রিয় রসুল সাঃ বলেছেন কালোজিরা মৃত্যু ব্যতিত সব রোগের ঔষুধ। আরো জানতেঃ
    https://thecognate.com/nigella-sativa-every-disease-has-a-cure-decelerating-the-covid-19-pandemic/
    এবং এ দিন বেশি বেশি সালাদ খাবেন। সালাদের সাথে আমাদের প্রিয় নবী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অত্যন্ত প্রিয় খাবার জয়তুন এর তেল অল্প করে গ্রহন করবেন। যা সালাদে নিয়ে আসবে নতুন স্বাদ। আর আপনার শরীরে ভাইরাসের কারনে কোন ইনফেকশন থাকলে সেটাকে দূর করে দেবে ইন শা আল্লহ। কেননা Olive Oil is the best anti-septic in the world.
    আরও জানতেঃ
    ১। https://pubmed.ncbi.nlm.nih.gov/17536679/
    ২। http://www.ibecbarcelona.eu/el-aceite-de-oliva-ofrece-dos-poderosas-armas-en-la-lucha-contra-la-resistencia-bacteriana/
    ৩। https://www.oliveoiltimes.com/health-news/olive-oil-and-infection/51057

    আর ৫ ম দিন থেকে আপনি সমস্ত কাজ আগের মত ই করতে পারবেন। ইন শা আল্লাহ।

বিস্তারিত জানতে দেখুন স্বনামধন্য নিউট্রিশনিস্ট ড. বিশ্বরূপ রায় চৌধুরির স্বাক্ষাতকার।

কার্টেসিঃ মাওলানা মাসুম বিল্লাহ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!